Topicort টপিকর্ট ওষুধের যাবতীয় তথ্য

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Topicort টপিকর্ট ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।

Topicort টপিকর্ট ওষুধের যাবতীয় তথ্য

উপাদান :

হাইড্রোকর্টিসন এসিটেট ১% ক্রীম ।

 

Topicort টপিকর্ট ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

নির্দেশনা :

ইরিট্যান্ট ডার্মাটাইটিস, এলার্জিক ডার্মাটাইটিস, একজিমা, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস, লাইকেন সিম্‌প্লেক্স এবং প্রুরিটাস অ্যানি, ফ্লো সোরিয়াসিস, ত্বকের জ্বালাপোড়া, চুলকানি এবং লাল হয়ে যাওয়া। পোকামাকড়ের কামড়ে, মৃদু পোড়া বা সানবার্ণ-এ ব্যবহার হয়ে থাকে।

মাত্রা ও ব্যবহারবিধি :

আক্রান্তস্থানে দিনে দুই বা তিনবার ব্যবহার করা উচিত।

সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :

ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণসমূহ, ত্বকের আলসারসমূহ এবং ওষুধটির প্রতি অতিসংবেদনশীলতা। শিশুদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

অতিসংবেদনশীলতা।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

গর্ভাবস্থায় অতিমাত্রায় ব্যবহার পরিহার করা উচিত। ত্বকীয় ব্যবহারের কারণে মাতৃদুগ্ধে নিঃসরণের সম্ভাবনা খুবই কম ।

সরবরাহ :

টপিকট ক্রীম। ১০ গ্রাম।

ঔষধ এর সংজ্ঞাঃ

ঔষধ বা ওষুধ হলো এমন রাসায়নিক দ্রব্য যা প্রয়োগে প্রাণিদেহের স্বাভাবিক ক্রিয়া প্রভাবান্বিত হয় এবং যা দ্বারা রোগ নাশ হয় বা প্রতিকার হয়, বা পীড়া ও ক্লেশ নিবারণ হয়; ভেষজ দাওয়াই এর অন্তর্ভুক্ত। ঔষধ মূলত দুই প্রকার: থেরাপিউটিক (রোগনিরাময়কারী) এবং প্রোফাইলেকটিক।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (FDA) সংজ্ঞার্থ অনুসারে: “দ্রব্যসমূহ যা রোগ নির্ণয়ে, আরোগ্যে (cure), উপশমে (mitigation), প্রতিকারে (treatment), অথবা প্রতিরোধে (prevention) ব্যবহার করা হয়” এবং “দ্রব্যসমূহ (খাদ্য বাদে) যা মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর শারীরিক গঠন বা ক্রিয়াকলাপকে প্রভাবিত করতে পারে” তাদের ঔষুধ বলা হয়।

 

Topicort টপিকর্ট ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

 

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওষুধের সংজ্ঞা এমন কঠোরভাবে আরোপ করে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুসারে: “ঔষধ” শব্দটির বিভিন্ন রকম ব্যবহার হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ঔষধ এমন দ্রব্য যার আরোগ্য (cure) এবং প্রতিরোধের (prevention) ক্ষমতা আছে অথবা যা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

আবার ফার্মাকোলজিতে ঔষধ এমন রাসায়নিক দ্রব্য যা প্রাণিদেহের অথবা কলার জৈবরাসায়নিক এবং শারীরিক প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করতে সক্ষম। আবার সাধারণের মুখে ড্রাগ শব্দটির অর্থ অবৈধ দ্রব্য। যেমন: হেরোইন, ফেনসিডিল, মারিজুয়ানা, ইত্যাদি।

Leave a Comment