আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Iracet ইরাসেট ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।
Iracet ইরাসেট ওষুধের যাবতীয় তথ্য
উপাদান:
ইরাসেট ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট প্রতিটি ট্যাবলেটে রয়েছে লেভেটিরাসেটাম ইউএসপি ২৫০ মি.গ্রা.।ইরাসেট ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট: প্রতিটি ট্যাবলেটে রয়েছে লেভেটিরাসেটাম ইউএসপি ৫০০ মি.গ্রা.। ইরাসেট ইঞ্জেকশনঃ প্রতি ৫ মি.লি. অ্যাম্পুলে রয়েছে লেভেটিরাসেটাম ইউএসপি ৫০০ মি.গ্রা.।
নির্দেশনা:
ইরাসেট (লেভেটিরাসেটাম) নিম্নলিখিত সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পার্শ্বিয়াল সিঙ্গার মায়োকোনিক সিজার (যাদের শিশুকাল থেকেই মায়োকোনিক সিজার রয়েছে) প্রাথমিক সাধারণ টনিক- ক্লোনিক সিজার যখন মুখে ওষুধ দেয়া সম্ভব নয় তখন ইরাসেট (লেভেটিরাসেটাম) ইঞ্জেকশন পরিবর্তিত চিকিৎসা হিসেবে নির্দেশিত (১৬ বছরের উপরের রোগীদের ক্ষেত্রে)।
মাত্রা ও প্রয়োগবিধি:
ট্যাবলেট: চিকিৎসার শুরুতে দিনে ১,০০০ মি.গ্রা সেব্য (৫০০ মি.গ্রা. মাত্রায় দিনে ২ বার)। পরবর্তী মাত্রা বৃদ্ধিতে দৈনিক ১,০০০ মি.গ্ৰা. প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর। সর্বোচ্চ মাত্রা হল দৈনিক ৩,০০০ মি.গ্রা.। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার:

দৈনিক মাত্রা অবশ্যই সহ পর বাড়াতে হবে ওজন এর উপর ভিত্তি করে শিশুদের ক্ষেত্রে ইরাসেট ওরাল সলিউসন এর মাত্রা নির্ণয়

ইঞ্জেকশন:
ইরাসেট”” (লেভেটিরাসেটাম) ইঞ্জেকশন কেবলমাত্র শিরাপথে ব্যবহারের জন্য এবং তা ব্যবহারের পূর্বে তরলায়িত করে নিতে হবে। ইরাসেট (লেভেটিরাসেটাম) ইঞ্জেকশন (৫০০ মিগ্রা./৫ মি.লি.) ১০০ মি.লি. এর সমতুল্য তরলায়িত করে ১৫ মিনিট ধরে শিরা পথে প্রয়োগের উপযোগী করে নিতে হবে।
অধঃক্ষেপ পড়লে অথবা রং পরিবর্তিত হলে তা ব্যবহার করা যাবে না । ইৱাসেট (লেভেটিরাসেটাম) দ্বারা চিকিৎসা শিরাপথে অথবা মুখে দুইভাবে শুরু করা যেতে পারে।
ইঞ্জেকশনের প্রয়োগবিধি:
ইরাসেট” (লেভেটিরাসেটাম) ইঞ্জেকশন কেবলমাত্র শিরাপথে ব্যবহারের জন্য এবং প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই তরলায়িত করে নিতে হবে।
ছক-১: প্রস্তুতি ও প্রয়োগ উদাহরণস্বরূপ ১,০০০ মি.গ্রা. মাত্রার জন্য ১০ মি.লি. ইরাসেট (লেভেটিরাসেটাম) ইঞ্জেকশন ১০০ মি.লি. এর সমতুল্য করে স্নানকে দ্রবীভূত করে ১৫ মিনিট ধরে শিরাপথে প্রয়োগ করতে হবে। উপযোগিতা এবং স্থায়িত্ব নিম্নোক্ত দ্রাবক সমূহে দ্রবীভূত করার ক্ষেত্রে ইরাসেট (লেভেটিরাসেটাম)

ইঞ্জেকশন বাস্তবিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ন এবং রাসায়নিকভাবে অন্ততঃ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকে যদি তা পলিভিনাইল কোরাইড (পিডিসি) ব্যাগে নিয়ন্ত্রিতভাবে (১৫০ থেকে ৩০০ সে. তাপমাত্রায়) সংরক্ষণ করা হয়। প্ৰাৰকসমূহ সোডিয়াম ক্লোরাইড (০.৯%) ইঞ্জেকশন ইউএসপি ল্যাকটেটেড রিংগার সলিউশন ডেক্সট্রোজ ৫% ইঞ্জেকশন অন্য এন্টিএপিল্যাপটিক ওষুধসমূহ লোৱাজিপাম ডায়াজিপাম ভ্যালপ্রোয়েট সোডিয়াম
প্রতিনির্দেশনা:
কারো সাথে প্রতিনির্দেশিত নয় ।
সতর্কতা এবং যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
তীব্র অ্যালার্জি, অস্বাভাবিক চিন্তাধারা, গাঢ় বর্ণের মূত্র, সমন্বয় করার মতা হ্রাস, প্রবলভাবে মাথা ঘোরা, ঝিমুনিভাব, ক্লান্তিভাব অথবা দুর্বলভাব, জ্বর, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, হ্যালুসিনেশন, স্মৃতি হ্রাস, পেশিতে বা ঘারে ব্যথা, নব্য অথবা অনবরত মানসিক সমস্যা, মেজাজ অথবা আচরণের পরিবর্তন,
নব্য খিচুনি অথবা খিচুনির অবনতি, ব্যথা, চুলকানি, ইঞ্জেকশনের স্থানে লাল হয়ে যাওয়া, আত্মহত্যার চিন্তাধারা বা প্রবণতা, অস্বাভাবিক কাল শিরা অথবা রকরণ, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, ত্বক অথবা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
ঝিমুনি, ঘুমঘুমভাব, গলায় ক্ষত হওয়া, বিরক্তি, ক্লান্তিভাব, দূর্বলতাৰ হল কিছু বিরূপ প্রতিক্রিয়া । বিরল ক্ষেত্রে প্রকট অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া:
কোন কার্যকর ওষুধের সাথে এর প্রতিক্রিয়া পরিলতি হয়নি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার:
গর্ভাবস্থায় লেভেটিরাসেটাম এর প্রেগনেন্সি ক্যাটাগরি-সি । স্তন্যদানকালে- লেভেটিরাসেটাম সেবনকালে স্তন্যদানকারী মায়েদেও উপর কোন উপাত্ত পাওয়া যায়নি। প্রাণীর উপর গবেষণায় জানা গেছে যে লেভেটিরাসেটাম দুধের সাথে নিঃসৃত হয় এ কারণে লেভেটিরাসেটাম স্তন্যদানকালে প্রতিনির্দেশিত।
সরবরাহ :
ইরাসেট ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট: প্রতি বাক্সে রয়েছে ২০ টি ট্যাবলেট ব্লিস্টার প্যাকে। ইরাসেট ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট: প্রতি বাক্সে রয়েছে ১০ টি ট্যাবলেট রিস্টার প্যাকে। ইরাসেট ” ইঞ্জেকশন। প্রতি বাক্সে আছে ৬ টি অ্যাম্পুল খ্রিস্টার প্যাকে।
আরও দেখুনঃ
