আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Cefotil সেফোটিল ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।
Cefotil সেফোটিল ওষুধের যাবতীয় তথ্য
উপাদান :
সেফিউরক্সিম। ১২৫, ২৫০ ও cogis মি.গ্রা. ট্যাবলেট, ১২৫ মি.গ্রা./৫ মি.লি. পাউডার ফর সাসপেনশন এবং ৭৫০ মি.গ্রা. ও ১.৫ গ্রাম ইঞ্জেকশন।

নির্দেশনা :
নাক, কান, গলার বিভিন্ন সংক্রমণ ও প্রদাহে, ফুরানকিউলোসিস, পায়োডারমা, ইম্পেটিগো, বৃক্ক, মুত্রনালি এবং মূত্রথলীর সংক্রমণ, গনোকক্কালইউরেথ্রাইটিস, সারভিসাইটিস এবং লাইম ডিজিজ ।
মাত্রা ও ব্যবহার বিধি :
২৫০-৫০০ মি.গ্রা. দিনে ২ বার ৭-১০ দিন চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সেব্য। সেফালোস্পোরিন গ্রুপের এন্টিবায়োটিক এর প্রতি সংবেদনশীল রোগীদের সেফিউরক্সিম দেয়া উচিত নয়।
সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :
দীর্ঘদিন ব্যবহারে সেফিউরক্সিমের প্রতি সংবেদনশীল নয় এমন জীবাণু সমূহের অতিমাত্রায় বৃদ্ধি ঘটতে পারে ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :
খুব কম সংখ্যক রোগীদের ক্ষেত্রে বমি ভাব এবং বমি হতে পারে।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া :
কোন ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :
গর্ভাবস্থার শেষ নিরাপদ ব্যবহার রয়েছে। স্তন্যদানকালে সতর্কতার ভাগে মূত্রনালী এবং অন্যান্য সংক্রমণে সেফিউরক্সিমের সাথে ব্যবহার করা উচিত।
সরবরাহ :
সেফোটিল’ ১২৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট : ২০ টি
সেফোটিল ২৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট: ২০ টি
সেফোটিল” ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট : ১২ টি
সেফোটিল” পাউডার ফর সাসপেনশন : ৭০ মি.লি.।
সেফোটিল” ৭৫০ মি.গ্রা. আইএম/আইভি ইঞ্জেকশন : একটি ভায়াল।
সেফোটিল ” ১.৫ মি.গ্রা. আইভি ইঞ্জেকশন : একটি ভায়াল।

ঔষধের ব্যবহার
রাসায়নিক দিক থেকে ঔষধ একটি ক্রিয়াশীল পদার্থ। তাই বলা হয়, নির্দিষ্ট মাত্রায় ও নির্দিষ্ট রোগে ব্যবহৃত না হলে ঔষধ পরিণত হয় বিষে। তা কেড়ে নিতে পারে একাধিক জীবন। ঔষধের যৌক্তিক ব্যবহার তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।
আরও দেখুনঃ
