আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Esloric এস্লোরিক ওষুধের যাবতীয় তথ্য । বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।
Esloric এস্লোরিক ওষুধের যাবতীয় তথ্য
উপাদান :
এলোপুরিনল ১০০ ও ৩০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট।

নির্দেশনা :
প্রাথমিক এবং সেকেন্ডারী গেটেবাত চিকিৎসায়।
মাত্রা ও ব্যবহার বিধি :
প্রতিদিন ২০০-৩০০ মি.গ্রা.। মাঝারি উপাগিয়াস বা প্রতিদিন ৪০০ ৬০০ মি.গ্রা.। সর্বোচ্চ মাত্রা দৈনিক ৮০০ মি.গ্রা.।
সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :
যেসব রোগীদের ক্ষেত্রে এলো পুরিনল ব্যবহারে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়, তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়। ত্বকে কোন রকম ফুসকুড়ি অথবা অতি সংবেদনশীলতা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ সেবন বন্ধ করতে হবে। যকৃৎ অথবা বৃক্কের মারাত্মক রোগে সেবনমাত্রা কমাতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :
সাধারণত ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে। এছাড়াও জ্বর, লিউকোপেনিয়া, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা দেখা দিতে পারে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে জন্ডিস, ইউসিনোফিলিয়া, মৃদু লিউকোসাইটোসিস হতে পারে।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া:
রক্ত জমাটবাধাদানকারী, ডাইউরেটিক এবং সাইটোটক্সিক ওষুধ।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :
গর্ভকালীন যথ যেথ ও নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া এই ওষুধ ব্যবহার ঠিক নয়। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
সরবরাহ :
এলোরিক” ১০০ ট্যাবলেট: ১০ x ১০ টি। এলোরিক” ৩০০ ট্যাবলেট ৩ x ১০ টি।

ঔষধের প্রয়োগ প্রক্রিয়া
যে উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হোক না কেন, ঔষধ সাধারণত শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে দেয়া হয়ে থাকে। এগুলোকে ঔষধের রুট অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশান (routes of administration) বলা হয়। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হল:
দেহের অভ্যন্তরে
মুখে (orally)
পায়ু ও যোনিপথে সাপোজিটরি হিসেবে (rectally and vaginally as suppository)
নিঃশ্বাসের মাধ্যমে (inhalation)
জিহ্বার নিচে (sublingually)
অনান্ত্রিক পথে (parenteral routes)
আন্তঃধমনী বোলাস (intravenous bolus)
আন্তঃধমনী ইনফিউশন (intravenous infusion)
আন্তঃপেশী (intramuscular)
সাবকিউটেনিয়াস (subcutaneous)
দেহের বাইরে
ত্বকের ওপর (topically)
আরও দেখুনঃ
