Famotack ফ্যামোট্যাক ওষুধের যাবতীয় তথ্য

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Famotack ফ্যামোট্যাক ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।

Famotack ফ্যামোট্যাক ওষুধের যাবতীয় তথ্য

উপাদান :

ফ্যামোটিডিন ২০ মি.গ্রা. ও ৪০ মি.গ্ৰা. ট্যাবলেট।

 

Famotack ফ্যামোট্যাক ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

নির্দেশনা :

ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার, গ্যাস্ট্রো- ইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ, পাকস্থলীর প্রদাহে নির্দেশিত।

মাত্রা ও ব্যবহারবিধি :

৪০ মি.গ্রা. এর একটি ট্যাবলেট রাতের বেলায় অথবা ২০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার। রক্ষণমাত্রা ২০মি.গ্রা. ট্যাবলেট প্রতি রাতে।

সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :

এর যে কোন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।

 

google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

মাথা ব্যথা, মাথা ঝিম ঝিম করা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পাতলা পায়খানা কখনো কখনো হতে পারে। অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব এবং/অথবা বমি হওয়া, পেটে অস্বস্তিবোধ, ক্ষুধাহীনতা, অবসাদ, ফুসকুড়ি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায়।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

শুধু জরুরী ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যাবে। স্তন্যদানকারী মায়েদের ওষুধটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত।

সরবরাহ :

ফ্যামোটাক’ ২০ ট্যাবলেট ১০ x ১০ টি। : ফ্যামোট্যাক” ৪০ ট্যাবলেট : ৫ x ১০ টি।

 

Famotack ফ্যামোট্যাক ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

ঔষধের ক্রিয়া

ঔষধ জীবদেহের উপর কী ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানের বিশেষ শাখা ফার্মাকোলজি আলোচনা করে। এখানে দেখানো হয়: বিভিন্ন মাত্রায় (dose) ঔষধ একাধারে রোগনিরাময়কারী (therapeutic) আবার বিষাক্তও (toxic) হতে পারে। ফার্মাকোলজির দুইটি শাখা:

ফার্মাকোকাইনেটিক্স (pharmacokinetics): এটিতে কোনো ঔষধের শোষণ (absorption), বিস্তৃতি (distribution), বিপাক (metabolism) এবং রেচনের (excretion) হার এবং পরিমাণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

ফার্মাকোডিনামিক্স (pharmacodynamics): এটিতে কোনো ঔষধ শরীরে প্রবেশ করার পর তা কীভাবে নানা শারীরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment