Ispergul ইসপারগুল ওষুধের যাবতীয় তথ্য

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Ispergul ইসপারগুল ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।

Ispergul ইসপারগুল ওষুধের যাবতীয় তথ্য

উপাদান:

ইসপারগুল স্যাশে : প্রতিটি স্যাশেতে আছে ৩.৫ গ্রাম পাল্টাগো ওকাটা (সিলিয়াম) হাঙ্ক। ইসপারগুলও কন্টেইনার প্রতিটি কন্টেইনারে আছে ১০০ গ্রাম পাল্টাগো ওভাটা (সিলিয়াম) হাস্ক।

 

Ispergul ইসপারগুল ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

নির্দেশনা ও ব্যবহার:

ইসপারল কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ ও আলসারেটিভ কোলাইটিসে নির্দেশিত। এছ এটি হাইপারলিপিডেমিয়া, ভোজনোত্তর ডায়াবেটিস ও পেটের পীড়ায় উপকারী।

মাত্রা ও সেবনবিধিঃ

প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে। ৩.৫ গ্রাম (১টি স্যাশে) দিনে ২ থেকে ৩ বার ১ গাস পানিসহ সেখা। ৬ – ১২ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে: ২ থেকে ৩.৫ গ্রাম (১/২ – ১টি স্যাশে) দিনে ২ থেকে ৩ বার ১ গাস পানিতে নিয়ে ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড নেড়ে খেতে হবে। ইসপারগুল অন্য ওষুধ গ্রহনের ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে অথবা পর যেতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা:

ইসবগুল সুসহনীয় ও নিরাপদ। সঠিক পদ্ধতিতে গ্রহন না করলে (অল্প পানি দিয়ে খেলে) এটি ফুলে বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের বাদ্যানী এবং অস্ত্রে ধাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। প্যানক্রিয়েটিক ইনসাফিসিয়েন্সির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

যে ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়:

যাদের পরিপাকনালী অস্বাভাবিকভাবে সংকীর্ণ, অস্ত্রনালীর অবস্ট্রাকশন, গলধাঃকরণে জটিলতা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া:

যষ্ঠিমধু, বিরেচক অ্যান্টিডায়বেটিক ওষুধের সাথে সমসাময়িক ব্য করলে শরীরে পটাশিয়াম এবং গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। কার্যামেজেপাইন এর সাথে সমসাময়িক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কার্যামেজেপাইনের বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি কমে যেতে পারে।

গর্ভকালীন এবং স্তন্যদানকালীন ব্যবহার:

গর্ভকালীন এবং স্তন্যদানকালীন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় না।

 

Ispergul ইসপারগুল ওষুধের যাবতীয় তথ্য

 

সরবরাহ :

ইসপারগুল: প্রতিটি বাক্সে আছে ১৫টি ৩.৫ গ্রাম স্যাশে এবং প্রতিটি এইচ ডি পি ই কন্টেইনারে আছে ১০০ গ্রাম পাউডার।

Leave a Comment