আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় Angilock Plus এনজিলক প্লাস ওষুধের যাবতীয় তথ্য। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন ওষুধের তথ্য আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আমাদের এই আয়োজন।
Angilock Plus এনজিলক প্লাস ওষুধের যাবতীয় তথ্য
উপাদান :
(লোসারটেন পটাসিয়াম ৫০ মি.গ্ৰা. হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড ১২.৫ মি.গ্রা.)/ ট্যাবলেট, (লোসারটেন পটাসিয়াম ১০০ মি.গ্রা. ও হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড ১২.৫ মি.গ্রা.)/ট্যাবলেট এবং (লোসারটেন পটাসিয়াম ১০০ মি.গ্রা. ও হাইড্রোক্লোরোখায়াজাইড ২৫ মি.গ্রা.)/ট্যাবলেট।

নির্দেশনা :
উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসায় নির্দেশিত । মাত্রা ও ব্যবহার বিধি : ১টি ট্যাবলেট দিনে একবার। ■ সর্বোচ্চ মাত্রা হল লোসারটেন ১০০ মি.গ্রা. ও হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড ২৫ মি.গ্রা. দিনে ১ বার।
সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না :
এই ওষুধের যে কোন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা, বৃক্কের অকার্যকারিতায় কিংবা সালফোনামাইড অতিসংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে ব্যবহারে প্রতিনির্দেশ আছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :
পেটে ব্যথা, ইডিমা (ফুলে যাওয়া), = পিঠে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, মাথা ঘুরানো, কাশি,সাইনাসের প্রদাহ, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং চামড়ায় ফুসকুঁড়ি ।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :
মাতৃদুগ্ধে নিঃসরিত হয় কিনা তা এখনও জানা যায়নি। গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
সরবরাহ :
এনজিলক® প্লাস ৫০/১২.৫ ট্যাবলেট : ৫ x ১০ টি। এনজিলক® প্লাস ১০০/২৫ ট্যাবলেট : ৩ x ১০ টি। এনজিলক® প্লাস ১০০ / ১২.৫ ট্যাবলেট : ৩ x ১০ টি।
ঔষধের প্রয়োগ প্রক্রিয়া
যে উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হোক না কেন, ঔষধ সাধারণত শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে দেয়া হয়ে থাকে। এগুলোকে ঔষধের রুট অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশান (routes of administration) বলা হয়। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হল:[৭][১০]
দেহের অভ্যন্তরে
মুখে (orally)
পায়ু ও যোনিপথে সাপোজিটরি হিসেবে (rectally and vaginally as suppository)
নিঃশ্বাসের মাধ্যমে (inhalation)
জিহ্বার নিচে (sublingually)
অনান্ত্রিক পথে (parenteral routes)
আন্তঃধমনী বোলাস (intravenous bolus)
আন্তঃধমনী ইনফিউশন (intravenous infusion)
আন্তঃপেশী (intramuscular)
সাবকিউটেনিয়াস (subcutaneous)
দেহের বাইরে
ত্বকের ওপর (topically)
আরও দেখুনঃ

